RSS
Write some words about you and your blog here

আপনি ফেসবুক পেজ এর এডমিন?তাহলে এই পোস্ট টি আপনার জন্য আমার পোস্টিং প্যানেলে আপনাদের স্বাগতম।

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা একাধিক ফেসবুক ফান পেজ চালান। এমনও দেখা যায় একই পেজের জন্য কয়েকজন এডমিনও আছেন। আচ্ছা ধরুন, আপনি পেজ এরক্রিয়াটর আর অন্যদেরকে আপনি ইনভাইটকরেছেন এডমিন হিসেবে। কখনও যদি এমনটা হয় আপনার সাথে তাঁদের থেকে ২/১ জনের সাথে পেজ নিয়ে কোন কারণে দ্বন্দ্ব লেগেছে! তাহলে? নিশ্চয় সে যদি ইচ্ছা করে আপনার পেজের এমন ক্ষতি করে ফেলতে পারে যা আমাকে বুঝায় দিতে হবে না।
আপনার যারা পেজ চালান তাঁরা ভাল করেই জানেন, পেজ এর জন্য আপনি যাকে নিয়োগ করলেন সে উক্ত পেজ এর সর্বময় ক্ষমতার অধিকারি হবে। রাইট? তাহলে বুঝুন কারো সাথে দ্বন্দ্ব লাগবে কিন্তু আপনার সখের পেজ …
আরে রাখেন এত চিন্তা!!! ফেসবুকের ফান এর নতুন ফিচারে যুক্ত হয়ে পেজ একাধিক এডমিন রোলস(Roles) যা আগে ছিল না। মনে রাখবেন একাধিক এডমিন রোলস(Roles )। এখন আপনি চাইলেই যেকাউকে এডমিন করতে পারবেন এবং সাথে যাকে খুশি পেজ এর পুরো দায়িত্ব(Manage) , কাউকে Content Creator (Content প্রস্তুতকারক) , কাউকে মডেরেটর(Moderator) , বিজ্ঞাপন তৈরিকারক (Advertiser) , Insights Analyst(অর্ন্তদৃষ্টি বিশ্লেষক) হিসেবে আলাদা আলাদা করে ক্ষমতা দিতে পারেন। এতে একেক জনের জন্য আলাদা আলাদা পার্ট এক্সেস এর সুযোগ থাকবে। আপনি যদি মনে করেন আপনিই শুধু রুট এডমিন হিসেবে পুরো দায়িত্ব(Manage) থাকবেন সেটাও করতে পারেন আর বাকিদের প্রয়োজন হলে সেভাবে দায়িত্ব ভাগ করে দিবেন। এতে করে কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবে না চাইলেও!
এডমিন রোলস(Roles) গুলো নিয়ে আলাদা করে বিস্তারিত লিখলাম না। কারণ বেপার গুলো আপনারা দেখলেই বুঝবেন। তাই অতিরিক্ত লিখা পড়ে সময় নষ্ট করার কোন মানেই হয় না। আপনি এডমিন রোলস(Roles) গুলো দেখতে এবং ব্যবহার করতে চাইলে নিচের স্টেপগুলো অনুসরন করুণ…
১. আপনার পেজ এর ডানপাশে থেকে Admin Panel বাটনে ক্লিক করুন…
২. আবার Edit এ ক্লিক করুণ…
৩. Edit এ ক্লিক করলে নিচের মত এডিট সেটিংস পেজ আসবে। সেখানে থেকে AdminRoles সাইড মেন্যু সিলেক্ট করুণ। নিচের মত পেজ পাবেন…
৪. আবার আপনি যাকে যেভাবে দায়িত্ব দিতে চান সেভাবে তার রোল নির্ধারন করে দিন নিচের ছবির মত। আপনি চাইলে আগে থেকে অ্যাড করা এডমিনদেরও রোল পরিবর্তন করে দিতে পারেন অথবা নতুন করে কাউকে অ্যাড করলে তাকেও রোল নির্ধারন করে দিয়ে অ্যাড করে নিতে পারেন আপনার পেজ এডমিন প্যানেলে।
৫. সবশেষে সেভ করুণ! আর কিছু বলার আছে কি???
আজ এই পর্যন্তই!
সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
নিজেকে গড়ে তুলুন প্রযুক্তি যোদ্ধাহিসেবে!

আসুন আমাদের নিজের সম্পর্কে একটু জানি(মেগা টিউন)

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন সবাই?অনেক কষ্ট করে এই সব তথ্য সংগ্রহ করেছি।  মানুষ "মানুষ" শব্দের বিভিন্ন অর্থ বিশেষ্য 1. মানব জাতি 2. একজন অনুভূতিশীল ব্যক্তি 3. পরিণত বা প্রাপ্তবয়স্ক ক্রিয়াপদ 1. মানুষ করা = লালন-পালন (উপযুক্ত শিক্ষাদানও এরই অঙ্গ)টAঈওডোপFযFযূহূঈণEWহEFবWঊঈযণূঈণWড় 2. মানুষ হওয়া = পরিণত-মনষ্ক হওয়া স্বাবলম্বী (উপার্জন-ক্ষম) হওয়া নামের ব্যুত্পত্তি মানুষ শব্দটি এসেছে "মনুষ্য" বা "মানব" শব্দের অপভ্রংশ হিসাবে। মনু+ ষ্ণ্য (অপত্যার্থে)= মানব বা মনুষ্য । অর্থাৎ পৌরানিক "মানব"রা ঋষি মনুর সন্তান (যেমন দানবরা দনুর সন্তান)। কিন্তু অন্যান্য ভাষার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে ইংরেজি Man, জার্মান Mann ও Mensch, আবেস্তান Manu-, প্রোটো-জার্মান manwaz সবই একই ইন্দোইউরোপীয় উত্স সম্ভূত। সমার্থক শব্দ মানব, মনুজ, মনুষ্য, মনিষ্যি, নর। বিপরীত অর্থ যখন মানুষ = অনুভুতিশীল, বিপরীত: অমানুষ, (বিশেষণ: অমানবিক= অমানুষিক ) যখন মানুষ = মানব জাতি, বিপরীত: না- মানুষ, মানষ্যেতর (ইতর=ভিন্ন) যখন মানুষ = পরিণত বা প্রপ্তবয়স্ক, বিপরীত: ছেলেমানুষ (অপরিণত, শিশু) যখন মানুষ = পুরুষ, স্ত্রীলিঙ্গ: মানুষী, মেয়েমানুষ (মানবী, নারী) (কদাচিত্ ব্যবহৃত, হলে মানুষ-মানুষী যুগ্ম ভাবে ) মানব জাতি পায়োনীয়ার মহাকাশযানে প্রেরীত তাম্রফলক-লিখন প্রাণীবিদ্যা অনুসারে মানুষ (অর্থাৎ আমরা) শিম্পাঞ্জীদের নিকটাত্মীয় একরকম দ্বিপদ স্তন্যপায়ী প্রাণী । মানব জাতি সম্পর্কিত গবেষণা এক বিশেষ বিষয় যার নাম নৃতত্ত্ব. প্রাণীবিদ্যা বিভাগীয় অবস্থান উত্পত্তি মানুষের বিবর্তন সম্পর্কে নানা নৃতাত্বিক মতবাদ আছে। খুব সম্ভবত আজকের সব মানুষ একই উৎস থেকে উদ্ভুত (monophyletic) হয়ে পরে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। মানুষের খুব নিকটাত্মীয় কিন্তু ভিন্ন উৎসজাত অন্যান্য শাখাগুলি অতীতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় আজ শিম্পাঞ্জী মানুষের নিকটতম আত্মীয়। সামাজিক বিবর্তন অন্যন্য বাঁদর জাতীয় স্তন্যপায়ীর মত মানুষও সাধারণতঃ দলবদ্ধ-ভাবে থাকে। কিন্তু মানুষের স্থায়ী বসতি প্রতিষ্ঠা অপেক্ষাকৃত নতুন (<১৫ হাজার বছর)। ভাষার আবির্ভাব মানুষের বুদ্ধির উন্নতি মানুষের জটিল ভাষা ব্যবহার করার ক্ষমতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। শারীরিক গঠন ও প্রক্রিয়া বিবর্তন চার পায়ের বদলে দুই পায়ে চলতে আরম্ভ করার সাথে সাথে মানব শরীর-গঠন ও শরীর-প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে নানা পরিবর্তন দেখা দিতে আরম্ভ করে। যেমন পেটের আভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিকে নীচে পড়ে যাওয়ার থেকে রক্ষা করার জন্য শ্রোণীচক্রের (Pelvic girdle) ব্যাস (diameter) ছোট হয়। বাচ্চার জন্মের পথ সরু হয়ে যাওয়াতে গর্ভে মস্তিষ্ক বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বাচ্চাকে ভূমিষ্ঠ হতে হয়। তার ফল সদ্যজাত মানবশিশু শারীরিক ও মানসিকভাবে পরনির্ভরশীল। তাকে বহুদিন মা-বাবা ও অন্যান্যদের অভিভাবকত্বে বড় হতে হয়। এখানে ভাষার অবদান গুরত্বপূর্ণ। মুখ ও গলার গঠনে পরিবর্তন হওয়ার কারণে মানুষ অনেক জটিল মনোভাব আদানপ্রদানে সক্ষম হয়। মানুষের উদ্বর্তনের সবথেকে মূল্যবান উপহার মস্তিষ্কের উন্নতি। মানুষের মস্তিষ্ক প্রাণীরাজ্যে বৃহত্তম না হলেও আপেক্ষিকভাবে বৃহত্তরদের অন্যতম। মানুষ জন্মাবার বহুবছর অবধি স্নায়ুতণ্ত্রের বিকাশ অব্যহত থাকে। অন্যান্য মানুষদের সঙ্গে ভাষা ও ভঙ্গীর সাহায্যে ভাব বিনিময় করতে করতে বহু আচার-ব্যবহার অধীকৃত হয়, যা জন্মগত ভাবে (জীনের মাধ্যমে) সহজে বর্তায়না। দলবদ্ধ সমাজব্যবস্থাও এতে উপকৃত হয়। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে বয়স্কা মহিলদের মাসিকবন্ধ হয় তথা রজোনিবৃত্তি ঘটে বলে তাদের ভুমিকা মায়ের বদলে দিদিমায় উপনীত হয় [১] , ফলে তাদের দুই প্রজন্ম পরের মানবশিশুদেরও সুরক্ষা বর্ধিত হয়, শিক্ষা ত্বরান্বিত হয়। মানুষই একমাত্র প্রাণী যাদের বয়ঃসন্ধি ও রজোনিবৃত্তি আছে। সবাই ভাল থাকবেন। সূত্রঃRIYADHHOSSEN.blogspot.com

জানুন আর.এস.এস (RSS Feed) যেটা আমাদের নেই



1


এই যে উপরের এই ছবিটার সাথে আমরা কম-বেশি সবাই পরিচিত। আমরা বিভিন্ন সাইটে যখন ভিজিট করি, তখন অনেক সাইটেই এই ছবির মত একটা আইকন দেখি। সেটায় লেখা থাকে RSS Feed অথবা Atom । কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, এই আর.এস.এস ফিড বা এটম এর কাজটা কি? যদি প্রশ্নটি মনে জেগে থাকে এবং আপনি এ সম্পর্কে অবগত না থাকেন, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য!

কেন ? আর.এস.এস.(RSS) কি
ধরুন, আপনি কিছু সাইট নিয়মিত ভিজিট করেন এবং ঐ সাইটের গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো বা আপডেটগুলো পড়েন। হতে পারে আপনি কোন নিউজ সাইটের সংবাদগুলো সাইটে ঢুকে পড়েন। আবার অনেকগুলো  ব্লগ সাইটেও রেগুলার ভিজিট করেন এবং ঐসব ব্লগের পোস্ট পড়েন। দেখা যায়, এই রকম ১০টা সাইট আপনার রেগুলার দেখা লাগে, আর অন্য ১০টা সাইটের শুধু আপডেট জানতে পারলেই হয়। নিশ্চয় অনেক সময় ব্যয় করা লাগে আপডেটেড থাকার জন্য। কিন্তু যদি এমন হয়, আপনি একটা সাইট বা একটা সফটওয়্যার দিয়েই এই ২০টা সাইটের আপডেট একসাথে জানতে পারবেন বা নিউজের হেড লাইন পেয়ে যাবেন কিংবা ফোরামের লেটেস্ট পোস্টগুলোর টাইটেল এবং সেই সাথে কিছু ভুমিকা পেয়ে যাচ্ছেন তাহলে সেটা অনেক মজার হবে না ? যে পোস্ট বা নিউজটা টাইটেল দেখে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো সেইটা ঐ সাইটে ঢুকে পড়লেন। ঠিক এই কাজটা সহজ ভাবে করার জন্যই আর.এস.এস. এর উদ্ভব।

RSS এর অনেকগুলো পূর্ণ অর্থ আছে যেমন Really Simple Syndication বা Rich Site Summary। সিন্ডিকেটিং এর অর্থটা এমন যে, কোন তথ্য নতুন করে কোথাও পাবলিশ করা (হতে পারে কোন সাইটে বা কোন কোন ডেক্সটপ সফটওয়্যারে), যা অন্য কোন সোর্স (হতে পারে এটা অন্য একটা ওয়েব সাইট) হতে আসছে। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে ধরে নিতে পারি কোন সাইটের তথ্য অন্য সাইটে বা অন্য কোথাও প্রদর্শন করার একটা সহজ একটা মাধ্যম হল আর.এস.এস। এই আরএসএস স্ট্যান্ডার্ড XML এর মাধ্যমে আপডেট দিয়ে থাকে।

কিভাবে অন্য অনেকগুলো সাইটের আর.এস.এসলিঙ্ক থেকে আপডেটগুলো এক জায়গায় দেখতে পারবো?

কোন আর.এস.এস. লিঙ্ককে বলা হয় ফীডার বা ফীড। আর এই লিঙ্ক থেকে তথ্যগুলো বের করাকে বলা হয় ফীড রিড বা ফীড় পড়া; আর সেই কাজটা যে করে তাকে বলা হয় ফীড রিডার বা আর.এস.এস. রিডার।

এখনকার ব্রাউজারগুলোতেও আর.এস.এস ফিড পড়ার ব্যবস্থা আছে।যেমন, মজিলা ফায়ারফক্সে লাইভ বুকমার্কের মাধ্যমে আপনি আপনার সেইভ করা বুকমার্ক থেকে ওই ওয়েবসাইট বা ব্লগের আপডেটেট পোস্টগুলোর টাইটেল জানতে পারবেন। এছাড়া হাতের কাছে ওয়েব বেসড ফ্রি যে আর.এস.এস. রিডার আছে তা হলো গুগল রিডার। গুগল রিডার এর ঠিকানাঃ http://www.google.com/reader । এর জন্য আপনার লাগবে একটি গুগল একাউন্ট বা জিমেইল একাউন্ট। শুধু মাত্র রিডারে জিমেইল একাউন্ট দিয়ে কোন সাইটের আর.এস.এস. লিঙ্কটা এড করুন বা সাবস্ক্রাইব করুন। দেখবেন সাথে সাথে ঐ সাইটের লেটেস্ট আপডেট আপনাকে পড়ে দেখাবে। এখন আপনি যে কোন সময় গুগল রিডারে ঢুকে ঐ সাইটের লেটেস্ট আপডেটগুলো জানতে পারবেন। এছাড়া এরকম আরও অনেক আর.এস.এস রিডার আছে, গুগলে সার্চ করলেই এমন অনেক আর.এস.এস. রিডার খুঁজে পাবেন।

ফেসবুকে এতদিন বিভিন্ন সাইটের আর.এস.এস. পড়ার সুবিধা থাকলেও কিছুদিন আগে তারা এই ফিচারটি বন্ধ করে দিয়েছে।

আপনি চাইলে এই আর.এস.এস ফীডের মাধ্যমে আপনার নিজস্ব সাইটে অন্যান্য বিভিন্ন সাইটের আপডেট দেখাতে পারবেন। আপনার যদি নিজস্ব হোস্টিংয়ে  ওয়ার্ডপ্রেস CMS ইন্সটল করা থাকে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে হোস্টেড একাউন্ট থাকে, তাহলে দেখবেন widget হিসাবে সেখানে আর.এস.এস. রিডার প্লাগিন আছে, যা দিয়ে আপনি আপনার ব্লগে অনেকগুলো সাইটের আপডেট দেখাতে পারেন rss widget ব্যবহার করে।

bangla office and mad jokes

1.চরম ইন্টারভিউ

প্রশ্নকর্তা: একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
প্রার্থী: এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছে শুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন?
প্রার্থী: হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তা: এক বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খাল পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে?
প্রার্থী: কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তা: শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন?
প্রার্থী: উমম…আমার মনে হয়, তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…।


2.ইন্টারভিউ দেওয়ার সহজ তরিকা

 
চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব—
প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত?
উ.: লিকুইড।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।’ তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’
‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’
চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!


3.চাকরী না দিয়ে যাবে কোথায়

 
একটা বিয়ার কোম্পানিতে বিয়ারের স্বাদ পরীক্ষা করার জন্য লোক নিয়োগ দিচ্ছিল। বাজে চেহারার এক মাতাল ইন্টারভিউ দিতে এল। কোম্পানির ডিরেক্টর একে দেখেই বাতিলের খাতায় রেখে দিলেন। কিন্তু ইন্টারভিউ দিতে যখন এসেছে, তখন তো ইন্টারভিউ নিতেই হবে।
প্রথমে একগ্লাস বিয়ার দেয়া হলো। মাতাল সেটা একটু খেয়ে সব উপকরণের সঠিক নাম বলে দিল। ডিরেক্টরের ভুরু কুঁচকে গেল।
এবার আরেক গ্লাস দেয়া হলো। সেটাও ঠিক মতো বলে দিল।
ডিরেক্টর এবার তার সেক্রেটারিতে ইশারা দিয়ে কিছু করতে বললেন।
সেক্রেটারি গ্লাসে প্রস্রাব করে নিয়ে এসে মাতালের সামনে রাখল।
মাতাল একটু খেয়ে বলল: খুব সুন্দরী, বয়স ২৬ বছর, তিন মাসের প্রেগন্যান্ট। আমাকে চাকরিটা না দিলে আপনার স্ত্রীকে গিয়ে বলে দেব বাবাটা কে।


1. [ সবাই কী ভাববে ]
২১২ জন যাত্রী নিয়ে জেট বিমানটি ৩৫ হাজার ফুট উপরে। হঠাৎ বিমানের পাইলট অট্রহাসি হাসতে লাগল। মাইক্রোফোনে সে হাসি শোনা গেল। দ্রুত ককপিটে গিয়ে একজন যাত্রী জনতে চাইল, এমনভাবে কেন হাসছেন, ক্যাপ্টেন?
: আমি ভাবছি, সবাই কী ভাববে, যখন পাগলাগারদের ডাক্তার, নার্স, পাহাদাররা টের পাবে


2. [ রুম বুক ]
একবার এক পরিদর্শক পাগলাগারদ পরিদর্শনে গেলেন।
পরিদর্শকঃ আপনারা কীভাবে বোঝেন যে একজন রোগী সুস্থ হয়েছে?
ডাক্তারঃ প্রথমে আমরা রোগীদের বাথরুমে বাথটাবের কাছে নিয়ে যাই। বাথটাবটা পানি দিয়ে পূর্ণ করি। তাদের আমরা একটি চামচ, একটি মগ ও একটি কাপ দিই। তারপর তাদের বাথটাবটি পানিশূন্য করতে বলি। তাদের পানিশূন্য করার নিয়ম দেখেই আমরা বুঝি কে সুস্থ হয়েছে।
পরিদর্শকঃ যদি তারা মগ দিয়ে পানি ফেলে দেয়। তাহলে নিশ্চয়ই আপনারা তাকে সুস্থ বলেন?
ডাক্তারঃ না, যদি তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়, তবে বাথটাবের পানি বের করার প্লাগ তুলে ফেলবে, তবেই আমরা ধরে নেই, সেই রোগী এখন সুস্থ হয়েছে। তা, আপনার জন্য কী এখানকার একটা রুম বুক করব?
আনিকা কাশেম, মৌলভীবাজার
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০০৯


3. [ পাগল প্রেসিডেন্ট ]
পাগলদের স্বভাব তো আপনারা সবাই কম বেশি জাননে। কোন পাগল বলে আমি বাংলাদেশের president ছিলাম, আবার কোন পাগল বলে আমি আমেরিকার president ইত্যাদি……
যাইহোক- একবার-president জিয়াউর রহমান পাবনার পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিল । ঐখানে পাগলদের মাঝখানে দাড়িয়ে president জিয়াউর রহমান পাগলদের উদ্দেশ্যে বলছেন- এই যে তোমরা আমাকে চেন ? আমি বাংলাদেশের president জিয়াউর রহমান !!
পাগলদের এক জন জবাব দিল- হি:! হি:! চিনি–চিনি, প্রথম – প্রথম সবাই এইরকম president থাকে- পরে সব ঠিক হয়ে যায় !


4. [ কাঠ কাটছি ]
মানসিক হাসপাতালের চিকিত্সক প্রতিদিনের মতো সকালে গিয়েছেন রোগীদের খোঁজখবর নিতে। এক নম্বর কক্ষে ঢুকে দেখেন, একজন মাটিতে বসে খুব মনোযোগ দিয়ে কিছু একটা কাটছে। আরেকজন উল্টো হয়ে ছাদের একটা কাঠে পা বেঁধে ঝুলে আছে! চিকিত্সক প্রথমজনকে জিজ্ঞেস করলেন, কী করছেন আপনি?
কেন দেখতে পারছেন না, আমি একটা কাঠ কাটছি!
ও আচ্ছা, কাঠ কাটছেন, ভালো কথা। ছাদের জনকে দেখিয়ে বললেন, কিন্তু উনি ছাদে এভাবে উল্টো হয়ে ঝুলে কী করছেন?
কী আর করবে, সে আসলে নিজেকে একটা বাল্ব ভাবছে।
চিকিত্সক চিন্তিত মুখে বললেন, কিন্তু তার সব রক্ত তো মাথায় চলে এসেছে, ভয়ানক ব্যাপার এটা! আপনি তার বন্ধু হয়েও এটা দেখছেন! তাকে নামানোর চেষ্টা করছেন না কেন? তা শুনে প্রথমজন দাঁত কেলিয়ে হেসে বলে, আরে ধুর, ওরে নামাইলে তো সব অন্ধকার হয়ে যাবে! তখন আমি কাজ করব ক্যামনে?

গম্ভীর ছেলেদের পছন্দ করে মেয়েরা life style you need

Tue, Jan 31st, 2012 5:44 pm BdST
লন্ডন, জানুয়ারি ৩১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)
হাশিখুশি নয়, বরং গম্ভীর ছেলেদের পছন্দ করে মেয়েরা। অন্যদিকে, ছেলেদের ভাললাগার ব্যাপারটি পুরোপুরি বিপরীত, তারা হাশিখুশি মেয়েই পছন্দ করে। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।


গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যেসব ছেলের চেহারায় গর্ব ও লজ্জার অনুভূতি ফুটে উঠে তারা সহজেই নারী হৃদয় জয় করতে পারে।


গবেষকরা বলেছেন, হাশিখুশি মেয়েদের অনুগত ও অবলা হিসেবে দেখা হয় বলে সম্ভবত ছেলেরা তাদের পছন্দ করে।


অন্যদিকে, গবেষক জেসিকা ট্রেসি বলেছেন, “গর্ব হতে পারে পুরুষের আত্মবিশ্বাস এবং জীবনসঙ্গিনী ও সন্তান ভরণ পোষণ করার মত সামর্থ্যরে ইঙ্গিতবাহী সূচক।”


আর তাই চেহারায় গর্বের ছাপ থাকলে তাকে পছন্দ করে মেয়েরা।


গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীরা।


আমেরিকান সাইকোলোজিক্যাল এ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত ‘ইমোশন’ নামক সাময়িকী গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে। আর গবেষণাটি প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে ‘দ্য হিন্দুস্তান টাইমস’।


গবেষণায় ১ হাজারের বেশি নারী-পুরুষকে এমন কিছু ছবি দেখানো হয় যেগুলোতে বিভিন্ন অভিব্যক্তির চেহারা ফুটে উঠেছে।


এরপর ভাললাগার ভিত্তিতে ছবিগুলোকে নাম্বার দিতে বলা হয়। ছবিগুলোতে কিছু ভাবলেশহীন চেহারাও ছিল।


এরপর দেখা যায়, মেয়েরা সবচেয়ে কম আকৃষ্ট হয়েছে হাশিখুশি পুরুষদের প্রতি। অন্যদিকে, গর্বে যাদের মাথা উঁচু তাদের প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছে তারা।


এছাড়া লাজুক চেহারার ছেলেদের প্রতিও তাদের আকর্ষণ দেখা গেছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/বিসিএস/এলকিউ/১৭৩২ঘ.